যেকোনো ধরনের বিষয়বস্তু বা কনটেন্ট ইন্টারনেটে প্রকাশ করার একটি প্রক্রিয়া, নির্মাণকৃত ওয়েবসাইট টিকে একটি সার্ভারে হোস্ট করা কে বলা হয় ওয়েবসাইট পাবলিশিং,, ওয়েবসাইট পাবলিস্ট করতে নিন্মের কিছু ধাপ অতিক্রম করতে হয়,, ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন এর পর সর্বপ্রথম ওয়েবসাইটে যে কাজটি করতে হয় তা হল ওয়েবসাইট হোস্টিং করা ইন্টারনেটের ওয়েবের ফাইলগুলো কোন সার্ভারে রাখাকে ওয়েব হস্টিং বলে,, কোন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার গন ইন্টারনেট হোস্টিং ভাড়া দিয়ে থাকেন, ওয়েব পেজটি হোস্টিং করতে যতটুকু জায়গা লাগবে তার ওপর ভিত্তি করে ব্যবসায়ীরা একটি ভাড়া নির্ধারণ করে দেয় এদের কাছে টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন সার্ভিস পাওয়া যায়,
ইন্টারনেট হোস্টিং অপারেটিং সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে দুই ধরনের হয়ে থাকে একটি হল উইন্ডোজ হোস্টিং অন্যটি হলো লিনাক্স হস্টিং,, যে সকল ওয়েবসাইট প্রোগ্রামিং ভাষা ও ডাটাবেইজ হিসেবে মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার ব্যবহার করে তৈরি করা হয় সেসব সাইট কে উইন্ডোজ সার্ভার এর হোস্টিং করতে হয় আর হোস্টিং এ মূলত যে সকল ওয়েবসাইট পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষা বা মাইএসকিউএল ব্যবহার করে তৈরি করা হয় সেসব সাইটকে লিনাক্স সার্ভারে হোস্ট করতে হয়
বর্তমান ইন্টারনেটের বাজারে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা অনুযায়ী প্রকার হোস্টিং এর ব্যবস্থা করা যায়,, ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট এর জন্য বা ছোটখাটো কোনো কাজের জন্য বিনামূল্যে হোস্টিং ব্যবহার করাটাই ভালো, তবে এই ধরনের হোস্টিং এর ব্যান্ডউইথ অনেক কম নিরাপত্তা নেই ও ডোমেইন নেম থাকে না
শেয়ার সার্ভারে হোস্টিং এর সময় সার্ভারের মেমরীস্পেস অন্যদের সাথে শেয়ার করা যায় তবে সে ক্ষেত্রে সার্ভারের হার্ডওয়্যার কনফিগারেশন একই থাকতে হয়, , শেয়ার সার্ভার এর ক্ষেত্রে রিসোর্স ভাগ করার কারণে সার্ভারের কার্যক্রম ধীর হয়ে যায় এবং ভিজিট এর ক্ষেত্রে দেখা যায় একবার ক্লিক করে অনেকক্ষণ বসে থাকতে হয় এখানে অনেক ক্লায়েন্ট একসাথে তাকে বলে নিরাপত্তা কম এছাড়া শেয়ার হোস্টিং এ ডাটাবেজ ইমেইল ব্যান্ডউইথ সবকিছুই সীমিত আকারে পাওয়া যায়
সবচাইতে নিরাপদ ও ও জনপ্রিয় সার্ভার হোস্টিং গুলোর মধ্যে অন্যতম হতে ডেডিকেটেড হোস্টিং, ডেডিকেটেড হোস্টিং এর ক্ষেত্রে সার্ভারে মেমরীস্পেস ব্যান্ডউইথ অন্যান্য সব রিসোর্স শুধুমাত্র একজন ক্লায়েন্ট ব্যবহার করে থাকেন ডেডিকেটেড সার্ভার শুধুমাত্র বড় ধরনের অ্যাপ্লিকেশন এবং বড় প্ল্যাটফর্ম এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় এবং এর নিরাপত্তা ও অনেক বেশি এখানে ডোমেইনের নাম আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ ও ডেটাবেজে সুবিধা পাওয়া যায় এ ধরনের হোস্টিং দুই ধরনের হয়ে থাকে যেমন ম্যানেজমেন্ট হোস্টিং অ্যান ম্যানেজমেন্ট হোস্টিং
ডোমেইন হোস্টিং স্পেস ক্রয় করার পূর্বে প্রতিষ্ঠানের পূর্ব সেবার অভিজ্ঞতা প্রতিষ্ঠানটি গুণগত মান কারিগরি দক্ষতা প্রভূতি বিবেচনা করা উচিত ডোমেইন এবং হোস্টিং স্পেস ক্রয় করার পর কি ধরনের সাপোর্ট দেয় পরবর্তীতে অতিরিক্ত কোনো অর্থ ব্যয় করতে হবে কিনা ইত্যাদি জেনে নেওয়া দরকার,, ওয়েব হোস্টিং এর জন্য হোস্টিং কোম্পানি চার্জ আদায় এর বিনিময়ে কি কি সুবিধা দিবে তা বিবেচনায় আনতে হবে অন্যতায় পরিমাণ বেড়ে যাবে,, সার্ভারে হোস্ট কৃত সাইট গুলো ত তাড়াতাড়ি ইউজারদের কম্পিউটারে লোড হচ্ছে সেটি হল কানেকশন স্পিড, কানেকশন স্পিড বাড়লে দ্রুত গতিতে ডেটা লোড হবে তাই হোস্টিং ক্রয় করার পূর্বে হোস্টিং এর কানেকশন এর স্পিড কেমন তা দেখে নিতে হবে, হোস্ট সার্ভার কতক্ষণ চালু থাকবে এবংযতক্ষণ চালু থাকবে ততক্ষণ ঐ খোলা থাকবে কিনা সেটাও জেনে নেওয়া দরকার
প্রিয় বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন আল্লাহ হাফেজ