ক্লাউড কম্পিউটিং এর ধারণা

ইন্টারনেটে বা ওয়েব এর সংযুক্ত হয়ে কিছু গ্লোবাল সুবিধা ভোগ করার যে পদ্ধতি তাই হচ্ছে ক্লাউড কম্পিউটিং, তথ্যপ্রযুক্তির নানান ধরনের সেবা পাওয়ার জন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে সব সময় ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস সার্ভার ইত্যাদি কিনতে হয় এবং তা ব্যবহারের জন্য কিনতে হয় মূল্যবান সফটওয়্যার এবং সেগুলো কে দেখাশোনা করার জন্য প্রয়োজন হয় দক্ষ জনশক্তি,, শুধুমাত্র তার পরেই প্রতিষ্ঠানটি তথ্যপ্রযুক্তির  একটি সেবা পেতে পারেন অনেক সময় অল্প সময়ের মধ্যে একটি সেবার প্রয়োজন হয় এবং সেই সামরিক সেবার জন্য প্রতিষ্ঠানকে অনেক খরচ সাপেক্ষে একটা প্রক্রিয়ার ভিতর দিয়ে যেতে হয় তথ্য প্রযুক্তি সংক্রান্ত ডিভাইস এত দ্রুত উন্নত হচ্ছে যে অনেক অর্থ দিয়ে নানান ধরনের যন্ত্রপাতি কেনার কয়েক বছরের ভিতর দেখা যায় যে তার আর্থিক মূল্য কমে প্রতিষ্ঠানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় আর  এই ধরনের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলা করার জন্য তথ্য প্রযুক্তির নতুন আবিষ্কার হচ্ছে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা,, যেকোনো  ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান র উক্ত নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে কম্পিউটারের সেবা গ্রহণ করতে পারবে ব্যবহারকারী কিছুই করতে হবেনা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান তার সবকিছু করে দেবে ব্যবহারকারী যতোটুকু দরকার ঠিক ততটুকু সাবারি মূল্য দেবে আর এই প্রযুক্তিকে বলা হয় ক্লাউড কম্পিউটিং,, এটি এমন এক প্রযুক্তি যার মাধ্যমে ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামসমূহ কে  শক্তিশালী কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণে করতে সক্ষম হয় ক্লাউড কম্পিউটিং অনলাইন পরিষেবা ডাটা এক্সেস টাবেস প্রদান করে থাকেন উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে অনলাইন বেকাপ সার্ভিস সামাজিক যোগাযোগ সার্ভিস এবং পার্সোনাল ডাটা সার্ভিস তবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্য সংযোগ অপরিহার্য,

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো এই প্রজেক্ট এর মাধ্যমে সাবলীলভাবে কাজের উন্নতি সাধন করা যায় রিসোর্স হার্ডওয়ার ও সফটওয়ার শেয়ার করে খরচ কমানো যায় ভার্চুয়াল প্রযুক্তি ব্যবহার করা সহ বিভিন্ন ডিভাইস ও জায়গায় এটি ব্যবহার করা যায় বেশি  নির্ভরযোগ্য ও রিসোর্স অধিক নিরাপদ  এটির ধারণক্ষমতা অনেক শক্তিশালী ও নিয়ন্ত্রণ বা পরিচালনা করা সহজ হয়, 2012 সালের আগে ক্লাউড কমপিউটিং শুধু মাত্র তিনটি তিন ধরনের সার্ভিস প্রদান করত এগুলো অবকাঠামোগত সেবা প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা সফটওয়্যার সেবা 2012 সালে আরও দুটি সার্ভিসকে তারা তাদের প্রজেক্ট এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে সেগুলো হলো ক্লাউড ক্লায়েন্ট সেবা ও নেটওয়ার্ক সেবা,

ক্লাউড কমপিউটিং প্রজেক্ট এর বিভিন্ন ধরনের প্রকারভেদ রয়েছে যেমন পাবলিক ক্লাউড এখানে পাবলিক অ্যাপ্লিকেশন স্টুরেজ ও অন্যান্য রিসোর্ট সমূহ সকলের জন্য উন্মুক্ত তাকে এই সেবা সাধারণত বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয় এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো গুগোল অ্যামাজন ইত্যাদি।। কমিউনিটি ক্লাউড সাধারণত নিরাপত্তা ও আইনগত অধিকার প্রদানের ক্ষেত্রে এই ধরনের কমপিউটিং করা হয় যা অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। হাইব্রিড ক্লাউড দুই বা ততোধিক ক্লাউডের সমন্বয়ে গঠিত ক্লাউড কে হাইব্রিড ক্লাউড বলেন এর ফলে অধিক পরিমাণ  শেয়ার করা,

প্রিয় বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন আল্লাহ

About nurjahan

dailylifestyle.space-এর লেখক ও কনটেন্ট রাইটার। প্রযুক্তি, Android Tips, স্মার্টফোন, ক্যামেরা, কম্পিউটার, ডিজিটাল জীবনযাপন, Lifestyle এবং Real Estate–সম্পর্কিত তথ্য সহজ ও বোধগম্য ভাষায় পাঠকদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করি। নতুন প্রযুক্তি ও দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে গবেষণা করে তথ্যবহুল, ব্যবহারিক ও পাঠকবান্ধব কনটেন্ট তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। dailylifestyle.space-এ আমরা নিয়মিত প্রযুক্তি ও লাইফস্টাইলের নতুন তথ্য, টিপস, গাইড এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রকাশ করি, যাতে পাঠকরা সহজেই সঠিক তথ্য খুঁজে পান এবং দৈনন্দিন জীবনে তা কাজে লাগাতে পারেন।

View all posts by nurjahan →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *