কর্পোরেট ডেটাবেজ কি ?

বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেমন মাল্টিন্যাশনাল কর্পোরেশন বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল ও রিসার্চ ল্যাবরেটরি কিংবা সরকারি প্রতিষ্ঠান এদের সবগুলোকেই এন্টারপ্রাইজ বলা হয় একটি এন্টারপ্রাইজ এর অধীনে একাধিক ব্যবসা-বাণিজ্য থাকতে পারে প্রতিটি ব্যবসার জন্য সাধারণত একাধিক বিভাগ অনুবিভাগ থাকে বড় বড় এন্টারপ্রাইজে  সাধারণত অনেক কর্মকর্তা কর্মচারী কাজ করেন তাদের মধ্যে অনেক ক্রেতা ও ভোক্তার থাকেন যারা বিভিন্ন দেশ  বিভিন্ন এলাকার ব্যবসা এবং প্রতিটি ব্যবসার জন্য একটি করে প্রধান অফিস রয়েছে যেখানে থেকে সার্বিক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রিত করা হয় একটি এন্টারপ্রাইজ এর সবগুলো ব্যবসা এটি নেটওয়ার্কের সাথে কর্পোরেট  সকল বিভাগ বিভাগ সংযুক্ত থাকে এই সকল বিভাগ অনুবিভাগ বিভিন্ন অবস্থান করে থাকতে পারে আর এই সকল এন্টারপ্রাইজ বা কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান সকল ধরনের ডেটা নিয়ে তৈরি হয় কর্পোরেট ডেটাবেজ বলতেই পারি যে ডাটাবেজ এন্টারপ্রাইজ বা কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের শাখা অফিস ুলো সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তথ্য আদান-প্রদানের জন্য কেন্দ্রীয় অফিসের সার্ভারে এক ধরনের ডাটাবেজ ব্যবহার করে তাকে তাকে কর্পোরেট ডেটাবেজ বলে কর্পোরেট ডাটাবেজ ইন্টারনেট ভিত্তিক হয়ে থাকে

একটি কর্পোরেট ডেটাবেজ এর কিছু ফাংশনাল ইউনিট তাকে ইউনিটগুলো সতন্ত্রভাবে পরিচালিত হয় আবার কখনো সামগ্রিকভাবে পরিচালিত হয় ইউনিট এর মধ্যে আবার বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট বিভাগ থাকতে পারে যেকোনো এন্টারপ্রাইজ এই সমস্ত ইউনিট থাকতে পারে সেগুলো হলো হিউম্যান রিসোর্স একাউন্টিং ফিনান্স ম্যানুফ্যাকচারিং মার্কেটিং কাস্টমার সার্ভিস গবেষণা ও উন্নয়ন বিভিন্ন কোম্পানি তাদের কাজের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ডাটাবেজ ব্যবহার করে থাকে এক ধরনের কোম্পানির চাহিদা একেক রকম তাই অধিকাংশ কোম্পানি তাদের নিজস্ব চাহিদা মোতাবেক কাস্টমাইজ ডাটাবেজ তৈরি করে নেয়,

এন্টারপ্রাইজ  রেসোর্স প্লান্নিং কোন প্রতিষ্ঠান সমগ্র বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ তথ্য ব্যবস্থাপনা সময়কে বোঝায় কেন্দ্রীয়ভাবে চাহিদামাফিক তথ্য সরবরাহ যেমন ইন্টিগ্রেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করে অফিস বা প্রতিষ্ঠানের কাজগুলো সম্পন্ন ও ব্যবস্থাপনা কে এটারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং বলা হয়ে থাকে এর মূল উদ্দেশ্য তাকে প্রতিষ্ঠান গণ্ডির মধ্যে সমস্ত বাণিজ্যিক কার্যক্রম কার্যক্রম এর মধ্যে  তত্ত্বের প্রবাহ অবাধ রাখতে  সহায়তা করে এবং বহিরাগত স্টেকহোল্ডারদের সাথে যোগাযোগ  সমন্বয় করা,, এটি সাধারণত তথ্যের ভাণ্ডার হিসাবে একটি ডাটাবেজ কে নিয়ন্ত্রণ করে এছাড়াও পুরো প্রক্রিয়াটি সাথে জড়িত বিভিন্ন ধাপ গুলোর মধ্যে রয়েছে প্ল্যানিং পারচেজিং ম্যাটেরিয়াল  ইনভেন্টরি ডিস্ট্রিবিউশন ও বিলিং কালেকশন,

একটি দেশের সরকারের অধীনে অনেকগুলো মন্ত্রনালয় কাজ করে থাকে এসব মন্ত্রণালয় স্বতন্ত্রভাবে অথবা অন্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বিত হয়ে কাজ করে এসব কাজ তত্ত্বের ব্যবহার অপরিহার্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ করতে বেশ সময় সাপেক্ষ ব্যাপার কিন্তু ডাটাবেজ ব্যবস্থা থাকলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ তড়িৎগতিতে সম্ভব হয় , যেকোনো অফিস বা প্রতিষ্ঠানকে ডাটাবেজ মেনেজমেন্ট  সিস্টেম এর মাধ্যমে তার ব্যবস্থাপনাকে সুন্দর ও কার্যকরী করে তুলতে পারে,, শুধু তাই নয় সরকারের সাথে নাগরিকদের যোগাযোগের মাধ্যম হলো ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনা যা বাস্তবায়নের পেছনে রয়েছে ডেটাবেজ এর ব্যবহার ডাটাবেজ ব্যবহারের মাধ্যমে সরকার তার নাগরিকদের কাছে কাজের দক্ষতা কার্যকারিতা এবং জবাবদিহিতা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পারছে, একটি বিভাগের ডেটা অন্য বিভাগ ব্যবহার করে উপকৃত হচ্ছে,, যেমন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নিয়ে বাংলাদেশের ভোটারদের উপাত্ত নিয়ে গঠিত ন্যাশনাল ডেটাবেজ বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যবহার করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুফল পাচ্ছে

 

About nurjahan

dailylifestyle.space-এর লেখক ও কনটেন্ট রাইটার। প্রযুক্তি, Android Tips, স্মার্টফোন, ক্যামেরা, কম্পিউটার, ডিজিটাল জীবনযাপন, Lifestyle এবং Real Estate–সম্পর্কিত তথ্য সহজ ও বোধগম্য ভাষায় পাঠকদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করি। নতুন প্রযুক্তি ও দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে গবেষণা করে তথ্যবহুল, ব্যবহারিক ও পাঠকবান্ধব কনটেন্ট তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। dailylifestyle.space-এ আমরা নিয়মিত প্রযুক্তি ও লাইফস্টাইলের নতুন তথ্য, টিপস, গাইড এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রকাশ করি, যাতে পাঠকরা সহজেই সঠিক তথ্য খুঁজে পান এবং দৈনন্দিন জীবনে তা কাজে লাগাতে পারেন।

View all posts by nurjahan →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *