ফাংশন ও তার ব্যবহার

একটি প্রোগ্রামের কাজ সম্পাদনের জন্য কতগুলো স্টেটমেন্ট ক এটিএম ব্লক এর মধ্যে যে নামে ডাকা হয় তাকে ফাংশন বলা হয় প্রতিটি সী প্রোগ্রামের একাধিক ফাংশন এর সমষ্টি,, প্রোগ্রাম নির্বাহের সময়ে কম্পাইলার যখন কোন ফাংশন কল করে তখন মূল প্রোগ্রামের কাজ স্থগিত রেখে কল ফাংশন এর নির্বাহ শুরু করে ফাংশন চেনার সহজ উপায় হল ফাংশন এর মানের শেষ একজোড়া প্রথম বন্ধনী তাকে এই প্রথম বন্ধুর মধ্যে অনেক কিছু থাকতে পারে,ফাংশন এর মধ্যবর্তী মানকে আর্গুমেন্ট বলা হয় প্রতিটা ফাংশন এর একটি করে নাম তাকে যে নামের মাধ্যমে কম্পাইলার তাকে শনাক্ত করতে পারে এই প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত কিছুটা সময় ব্যয় হয় তাই ছোট কোন প্রোগ্রামের জন্য সাধারণত ফাংশন ব্যবহার করা হয় না

প্রোগ্রামিং এর ক্ষেত্রে ফাংশন এর প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য ফাংশন এর মাধ্যমে প্রোগ্রামকে সংক্ষিপ্ত করা যায় প্রোগ্রাম ডিবাগিং সহজ করা হয় ব্যবহারকারী তার প্রয়োজন অনুযায়ী ফাংশন তৈরি করে তার কাজ শেষ করতে পারে একই ফাংশন বিভিন্ন প্রোগ্রামে ব্যবহার করা যায় ছোট হয় বলে মেমরীস্পেস কম লাগে প্রোগ্রাম এর পুনরাবৃত্তিমূলক নির্দেশনাকে ফাংশন ব্যবহারের মাধ্যমে সহজ করা যায় প্রোগ্রাম রচনার ক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত সময় কম লাগে একই ফাংশন কে ভিন্ন ভিন্ন ইনপুট ডেটা দিয়ে ব্যবহার করা যায়

ফাংশন এর বিভিন্ন প্রকারভেদ রয়েছে সি প্রোগ্রামের ফাংশনসমূহ কে দুই ভাগে ভাগ করা যায় যেমন লাইব্রারি ফাংশন user-defined ফাংশন,, লাইব্রারি ফাংশন গুলো কে তাদের নিজস্ব ফরমেট অনুযায়ী মেন ফাংশন এর মধ্যে ব্যবহার করা যায় মূলত শ্রী কম্পাইলারের কতগুলো বিল্ট ইন ফাংশন তাকে সে গুলোকে লাইব্রারি ফাংশন বলা হয়,, প্রগ্রামে বিভিন্ন ধরনের যৌক্তিক গাণিতিক ও অন্যান্য কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য লাইব্রারি ফাংশন ব্যবহার করা হয় লাইব্রারি ফাংশন ফাংশন বলা হয়

লাইব্রেরী ফাংশন গুলো ব্যবহার করা অত্যন্ত সহজ শুধুমাত্র ফাংশন এর ব্যবহার বিধি ও ফরম্যাটগুলো জানা থাকলেই হয়,, সি প্রোগ্রামের কোন লাইব্রেরিতে ফাংশন ব্যবহার করে প্রোগ্রাম এর শুরুতে এনক্লাউড ডিরেক্টিভ স্টেটমেন্ট এর সাহায্যে প্রোগ্রাম কম্পাইল করার সময় সংযুক্ত ফাইল এর উপাদান গুলো সংশ্লিষ্ট লাইব্রেরী ফাইল থেকে কপি প্রতিটি প্রোগ্রামে মেয়ের নামে একটি ইউজার efined ফাংশন তাকে প্রোগ্রামসমূহ নির্বাহের শুরুতে মেন ফাংশন সক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় প্রয়োজন নিয়ন্ত্রণ করে প্রোগ্রামে একটি মেন্ট ফাংশন থাকে, মেন ফাংসন ছাড়াও অন্যান্য ফাংশন যতবার প্রয়োজন কল করা যায় সুতরাং সি প্রোগ্রামে যত ফাংশনাল থাকুক না কেন মেইন ফাংশন কে ঘিরে যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়,

প্রোগ্রাম তার নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী সকল ফাংশন তৈরি করে তাকে user-defined ব্যবহারকারী বর্ণিত ফাংশন বলা হয় একটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন প্রোগ্রাম কর্তৃক ব্যবহৃত ফাংশন গুলোর নাম ও বর্ণনা ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে ইউজার efined ফাংশন এর নাম একটি আইডেন্টিফায়ার ইউজার ডিফাইন্ড ংশন আকার আকৃতি ও সমস্যার ধরন এবং সমাধানের কৌশল এর উপর নির্ভর করে,, সুতরাং  আইডেন্টিফায়ার নামকরণের নিয়ম অনুযায়ী ফাংশন এর যে কোন বৈধ নাম দেওয়া যেতে পারে ডিফাইন ফাংশন কতগুলো স্টেটমেন্ট কি নিয়ে গঠিত হয় সামান্য কিছু ব্যাতিক্রম ছাড়া প্রতিটি স্টেটমেন্ট সেমিকোলন দিয়ে শেষ হয়

প্রিয় বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন আল্লাহ হাফেজ

About nurjahan

dailylifestyle.space-এর লেখক ও কনটেন্ট রাইটার। প্রযুক্তি, Android Tips, স্মার্টফোন, ক্যামেরা, কম্পিউটার, ডিজিটাল জীবনযাপন, Lifestyle এবং Real Estate–সম্পর্কিত তথ্য সহজ ও বোধগম্য ভাষায় পাঠকদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করি। নতুন প্রযুক্তি ও দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে গবেষণা করে তথ্যবহুল, ব্যবহারিক ও পাঠকবান্ধব কনটেন্ট তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। dailylifestyle.space-এ আমরা নিয়মিত প্রযুক্তি ও লাইফস্টাইলের নতুন তথ্য, টিপস, গাইড এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রকাশ করি, যাতে পাঠকরা সহজেই সঠিক তথ্য খুঁজে পান এবং দৈনন্দিন জীবনে তা কাজে লাগাতে পারেন।

View all posts by nurjahan →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *