ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি

তথ্যকে একটি নির্দিষ্ট মাধ্যমের মধ্য দিয়ে ডিজিটাল এনালগ আকারে স্থানান্তর কে ডেটা ট্রান্সমিশন বলা হয় যে পদ্ধতিতে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা ট্রান্সমিট হয় তাকে ডেটা ট্রান্সমিট মেথড বলা হয়ে থাকে আরও সহজভাবে বলতে গেলে তাকে স্থান থেকে অন্য স্থানে ট্রান্সমিট করার জন্য কমিউনিকেশন পদ্ধতির প্রয়োজন পড়ে কারণ মানুষের ব্যবহার করা ফর্মের ও ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস এর ফরমেট বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে তাই মানুষের প্রকৃত তথ্য ডিজিটাল সিগনাল রূপান্তর করে ইলেকট্রনিক্স যন্ত্র এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করে পুনরায় তাকে এনালগ সিগনাল এ পরিণত করতে হয় ডেটা ট্রান্সমিশন দুই ধরনের হয়ে থাকে একে হতে প্যারালাল অন্যটি হচ্ছে সিরিয়াল আবার সিরিয়াল ডেটা ট্রান্সমিশন কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে একটি হচ্ছে এসিনক্রোনাস সিনক্রোনাস আইসোক্রোনাস

প্যারালাল ট্রানস্মিশন বলতে আমরা বুঝি যে ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে তা সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান হয়ে থাকে সাধারণভাবে কম্পিউটারের অভ্যন্তরের একটি অংশ থেকে অন্য অংশে তথ্য আদান প্রদানের ক্ষেত্রে এই প্যারালাল ট্রান্সমিশন মেথড টি ব্যবহার করা হয়ে থাকে এই পদ্ধতিতে কাছাকাছি অবস্থিত গুলোর মধ্যে একটি ক্যারেক্টারের  সবগুলো একসাথে ট্রান্সমিট করা হয় এই প্যারালাল ট্রানস্মিশন ব্যবহার করা খুবই ব্যয়বহুল কারণ এই প্যারালাল ট্রানসলেশন ব্যবহার করতে গেলে কেবল ইউএসবি পোর্ট প্রিন্টার ডাটা পাঠানোর জন্য প্রয়োজন পড়ে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে দূরত্ব যত বেশি হয় তার প্রিয় তত বাড়ে কারণ তাতে অনেক বেশি ক্যাবলের প্রয়োজন পড়ে তবে এই ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি ব্যবহার করলে অনেক বেশি সুবিধা পাওয়া যায় যেমন এ পদ্ধতিটি খুব দ্রুত সম্পন্ন হয় একসাথে অনেক ভিড় চলাচল করতে পারে শুধু তাই নয় ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এর দক্ষতা ও অনেক বেশি এবং একটি শব্দ অনুসারে সেটা স্থানান্তরিত হয়

ডেটা ট্রান্সমিশন এর অন্য একটি মাধ্যম হচ্ছে সিরিয়াল ট্রান্সমিশন দূরবর্তী অবস্থানে থাকা দেশগুলোর জন্য সিরিয়াল টান্সমিশন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে এই পদ্ধতিতে এই পদ্ধতির মাধ্যমে 8 র্ট বিট এর ডাটা পর্যায়ক্রমে 1 বিট করে পাঠানো হয় ডেটা আদান এর উৎস গন্তব্য থেকে বেশি দূরে হলে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না সিরিয়াল যেটা ট্রান্সমিশন আদান-প্রদান করার জন্য মডেম মাউস ইত্যাদি যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে

এইভাবে ডেটা স্থানান্তরের জন্য মাত্র একটি লাইন বা পাতের প্রয়োজন পড়ে বং এর জন্য ট্রান্সমিশন খরচ খুবই কম পড়ে অল্প খরচেই ডেটা ট্রান্সমিশন বহুদূর  পর্যন্ত বিস্তৃত করা যায় একটিমাত্র লাইন ব্যবহারের কারণে কোনো সিনক্রোনাইজেশন এর প্রয়োজন পড়ে না তবে এটি খুব ধীরগতির সম্পন্ন হওয়ায় এর ব্যবহার করতে অধিক বেশি সময় প্রয়োজন পড়ে একই সময়ে শুধু একটি মাত্র বিট স্থানান্তর করা যায় এবং ডাটা রূপান্তরের জন্য বিশেষ কনভার্টার প্রয়োজন পড়ে যাবে আর করা অনেক ব্যয়বহুল এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা ট্রান্সমিশন হওয়ার জন্য অবশ্যই 2 কম্পিউটারকে সিগনালের বিটের শুরু ও শেষ বুঝতে হয় বিটের শুরু ও শেষ ঝতে না পারলে গ্রহীতা কম্পিউটার সেই সিগনাল থেকে ডাটাকে পুনরুদ্ধার করতে পারে না আরে ইডিয়েট বুঝার জন্য যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে সিনক্রোনাইজেশন বলে

প্রিয় বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন আমাদের ওয়েভসাইটের সাথে থাকুন আল্লাহ হাফেজ

About nurjahan

dailylifestyle.space-এর লেখক ও কনটেন্ট রাইটার। প্রযুক্তি, Android Tips, স্মার্টফোন, ক্যামেরা, কম্পিউটার, ডিজিটাল জীবনযাপন, Lifestyle এবং Real Estate–সম্পর্কিত তথ্য সহজ ও বোধগম্য ভাষায় পাঠকদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করি। নতুন প্রযুক্তি ও দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে গবেষণা করে তথ্যবহুল, ব্যবহারিক ও পাঠকবান্ধব কনটেন্ট তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। dailylifestyle.space-এ আমরা নিয়মিত প্রযুক্তি ও লাইফস্টাইলের নতুন তথ্য, টিপস, গাইড এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রকাশ করি, যাতে পাঠকরা সহজেই সঠিক তথ্য খুঁজে পান এবং দৈনন্দিন জীবনে তা কাজে লাগাতে পারেন।

View all posts by nurjahan →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *