তারবিহীন মাধ্যম ও কমিউনিকেশন সিস্টেম

তথ্য আদান-প্রদানের জন্য তারবিহীন সংযুক্ত রাজ্যে মাধ্যম ব্যবহার করা হয় তাকে মিডিয়া বা ওয়ারলেস মাধ্যম বলে,, এই মাধ্যম অন্য তো কোন মাধ্যম ছাড়াই তড়িৎ চুম্বকীয় সংকেত প্রেরণ করে,, তারবিহীন মাধ্যম হলো বায়ুমণ্ডল পানি ও মহাশূন্য বায়ুমণ্ডলের উপরের অন্যান্য স্তর তারবিহীন মাধ্যম তড়িৎ চুম্বকীয় সংকেত প্রেরণ করে, এরকম সংকেত গ্রহণ করতে সক্ষম যন্ত্র যার কাছে থাকে সেই তথ্য গ্রহণ করতে পারবে,, তারবিহীন মাধ্যম  তড়িৎচুম্বকীয় সংকেত শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে এন্টেনা থেকে বিকিরিত হয় ফলে ডাটাসমূহ যে কোন দিকে ছড়িয়ে যেতে পারে এবং যে কোন পক্ষ যেকোনোভাবে পেরিত ডেটা সংগ্রহ করতে পারে,, এসব কারণে এই ধরনের মাধ্যমকে অন গাইডেড মিডিয়া বা গাইড বিহীন মাধ্যম বলা হয়,, তারবিহীন মাধ্যমে বার্তা পৌঁছানোর জন্য এন্টেনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে,, অ্যান্টেনা মূলত একটি বিদ্যুৎ পরিবাহী যন্ত্র কোন বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় শক্তিতে রূপান্তর করে এন্টেনা এবং পরবর্তীতে তা  বিকিরণ করে তারবিহীন মাধ্যমে ডাটা আদান-প্রদানের প্রধান ভূমিকা রাখে,, বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ বায়ু পানি ও মহাশূন্য দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয় গন্তব্যে পৌঁছানোর পর বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ থেকে শক্তি সংগ্রহ করে সেটাকে বৈদ্যুতিক সিগন্যাল পরিণত করা এন্টেনার কাজ

বিকিরণে  দিক থেকে একজনা কে দুই ভাগে বিভক্ত করা যায়,দিক যুক্ত অ্যান্টেনা সর্বদিক যুক্ত এন্টেনা, দিগন্ত এন্টেনার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট দিকে মুখ করা তাকে তারপর গ্রহীতাকে ডেটা আদান প্রদান করতে তাকে পরস্পরের দিকে একটি সরলরেখা বরাবর মুখ করতে হয়,, কিন্তু সর্বাধিক যুক্ত এন্টেনার ক্ষেত্রে কোন ধরনের সরলরেখার প্রয়োজন হয় না এই ধরনের অ্যান্টেনা সর্বদিকে তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ করতে পারে পেরো গ্রহীতাকে কোন নির্দিষ্ট দিকে মুখ না করলেও ডাটা আদান-প্রদান করতে কোন ধরনের অসুবিধা হয় না,, ও দূরবর্তী স্থান সমূহ ডেটা কমিউনিকেশন এর ক্ষেত্রে তারবিহীন মাধ্যম ব্যবহার করা হয়ে থাকে প্রযুক্তির বিশেষ উন্নয়ন সাধন এর ফলে বেশীরভাগ কমিউনিকেশন ডিভাইস গুলো এখন বহনযোগ্য যেমন মোবাইল ,নির্দিষ্ট জায়গায় উপস্থিত ডিভাইসের জন্য কেবল মিডিয়া উপযোগী, মোবাইল ডিভাইসের মধ্যে ডেটা কমিউনিকেশন এর ক্ষেত্রে তারবিহীন মাধ্যম ব্যবহার করা বেশি উপযোগী যেমন ল্যাপটপ পিসি স্মার্ট ফোন ট্যাবলেট পিসি ইত্যাদি

তারবিহীন মাধ্যম এর সিগনাল অনেক দূরের বা কাচের রেঞ্জ হতে পারে ও পাহাড় বা বিল্ডিংকে ভেদ করতে পারে,, এ যোগাযোগ ব্যবস্থার গতিবেগ প্রায় 64 কিলোবাইট সেকেন্ড 1 মিলিমিটার থেকে 100 কিলোমিটার এলাকায় বিস্তার লাভ করে। এন্টেনার মাধ্যমে ওয়ারলেস সংকেত প্রেরক হতে গ্রাহক পর্যন্ত কয়েকটি উপায় যেতে পারে,, প্রথমত থেকে প্রেরণ করা হয় এবং সংকেত প্রেরক অ্যান্টেনা থেকে বৃত্ত করে ভূমির উচ্চতা অনুসারে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে সংকেত শক্তি যত বেশি তা তত দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে, দ্বিতীয় উপায় সংকেত কে আকাশের দিকে প্রেরণ করা হয় আয়নোস্ফিয়ার থেকে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয় তা ভূমিতে ফিরে আসে এইভাবে অল্প শক্তির ব্যবহার করেও অনেক দূর পর্যন্ত বেতার সংকেত পাঠানো যায়, তৃতীয়তঃ বেতার তরঙ্গ দৃষ্টি রাখার মধ্য সুজাসুজি প্রেরণ করতে হয় দুজন মানুষ যখন পরস্পরকে কোন বাধা ছাড়াই দেখে তখন তাদের দৃষ্টির মধ্যে একটা রেখা কল্পনা করা হয় তাকে আমরা বলি লাইন অফ সাইট কোন বাধা যেমন দেয়াল বা গাছ থাকলে এই রেখা কল্পনা করা যায় না দুটি পরস্পর  এন্টেনার মধ্যে এরকম রেখা কল্পনা করা যায়।

প্রিয় বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন আমাদের সঙ্গেই থাকুন আল্লাহ হাফেজ

About nurjahan

dailylifestyle.space-এর লেখক ও কনটেন্ট রাইটার। প্রযুক্তি, Android Tips, স্মার্টফোন, ক্যামেরা, কম্পিউটার, ডিজিটাল জীবনযাপন, Lifestyle এবং Real Estate–সম্পর্কিত তথ্য সহজ ও বোধগম্য ভাষায় পাঠকদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করি। নতুন প্রযুক্তি ও দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে গবেষণা করে তথ্যবহুল, ব্যবহারিক ও পাঠকবান্ধব কনটেন্ট তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। dailylifestyle.space-এ আমরা নিয়মিত প্রযুক্তি ও লাইফস্টাইলের নতুন তথ্য, টিপস, গাইড এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রকাশ করি, যাতে পাঠকরা সহজেই সঠিক তথ্য খুঁজে পান এবং দৈনন্দিন জীবনে তা কাজে লাগাতে পারেন।

View all posts by nurjahan →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *